বীজগাণিতিক অনুপাত
a : b = p : q হলে a = kp ও b = kq লেখা যায়, যেখানে b ও q অশূন্য।
উদাহরণ
a : b = ৩ : ৫ এবং a + b = ৪০
- a = ৩k; b = ৫k।
- ৮k = ৪০; k = ৫।
- a = ১৫; b = ২৫।
কেন?
দুই রাশির একই গুণক k বাদ দিলে মূল অনুপাত ৩ : ৫ থাকে।
দশম শ্রেণি · অধ্যায় ১১
পৃষ্ঠা ২০৫–২২৩
বইয়ের পৃষ্ঠা 205

a : b = p : q হলে a = kp ও b = kq লেখা যায়, যেখানে b ও q অশূন্য।
a : b = ৩ : ৫ এবং a + b = ৪০
দুই রাশির একই গুণক k বাদ দিলে মূল অনুপাত ৩ : ৫ থাকে।
প্রথম ক্ষেত্রফল a²,দ্বিতীয় b²।
বর্গের ক্ষেত্রফল = বাহু × বাহু।
অনুপাত = a²:b²।
একই এককের রাশি তুলনা।
উত্তর: a²:b²।
আগে খাতায় হিসাব করো, তারপর উত্তর বেছে নাও। ২ পর্বে ৬টি প্রশ্ন দিয়ে ধারণাগুলো যাচাই করবে।
উত্তর বেছে নিলে সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে। সব উত্তর সঠিক করে “মোট ফল দেখি ও সংরক্ষণ করি” চাপলে সেই পর্ব সম্পন্ন হিসেবে গণনা হবে।
গোল বোতামে উত্তর বেছে নাও। সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে—সঠিক হলে সবুজ টিক, ভুল হলে ব্যাখ্যা পাবে।
সাইন ইন করা থাকলে মোট ফল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত হবে।
গোল বোতামে উত্তর বেছে নাও। সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে—সঠিক হলে সবুজ টিক, ভুল হলে ব্যাখ্যা পাবে।
সাইন ইন করা থাকলে মোট ফল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত হবে।
আগে উত্তর বলো বা লেখো, তারপর নিয়মটি খুলে মিলিয়ে নাও।
a:b=p:q হলে a=kp,b=kq ধরা যায়, যেখানে প্রাসঙ্গিক হর অশূন্য।
a/b=c/d হলে ad=bc, b,d≠০। হর অশূন্য রেখে বিপরীত বা বিনিময় সম্পর্ক করা যায়।
a/b=c/d হলে (a+b)/b=(c+d)/d এবং (a−b)/b=(c−d)/d।
a/b=c/d হলে (a+b)/(a−b)=(c+d)/(c−d),নতুন হরগুলো অশূন্য হলে।
a:b=b:c হলে b²=ac। আবার a:b ও b:c দেওয়া থাকলে মাঝের b-এর মান সমান করে তিন রাশির অনুপাত লেখো।
মিশ্রণ,বণ্টন বা মাপের সমস্যায় মোট অংশ ও একটি অংশের মান বের করো।
আজ: ভুল হওয়া প্রশ্নের নিয়ম ও উদাহরণ পড়ো। আগামীকাল: একই ধরনের অঙ্ক খাতায় না দেখে করো। তিন দিন পরে: এই অধ্যায়ের মূল অনুশীলনী থেকে আলাদা ধরনের তিনটি সমস্যা সমাধান করে নিজের ধাপ ব্যাখ্যা করো।