বাস্তব সংখ্যা
সংখ্যারেখায় বসানো যায় এমন সব মূলদ ও অমূলদ সংখ্যা মিলে বাস্তব সংখ্যা।
উদাহরণ
−৫, ০.৪ ও √৭
- −৫ = −৫/১: পূর্ণসংখ্যা ও মূলদ।
- ০.৪ = ২/৫: মূলদ।
- √৭: অমূলদ; তিনটিই বাস্তব।
কেন?
বাস্তব সংখ্যাকে মূলদ ও অমূলদ—এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
নবম শ্রেণি · অধ্যায় ১
পৃষ্ঠা ১–২০
বইয়ের পৃষ্ঠা 1

সংখ্যারেখায় বসানো যায় এমন সব মূলদ ও অমূলদ সংখ্যা মিলে বাস্তব সংখ্যা।
−৫, ০.৪ ও √৭
বাস্তব সংখ্যাকে মূলদ ও অমূলদ—এই দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
০.(৩) = ১/৩, √(১৬/৯) = ৪/৩ এবং ∛(৮/২৭) = ২/৩।
প্রথম তিনটি পূর্ণসংখ্যার অনুপাত, তাই মূলদ।
৫/√৩ মূলদ ও অশূন্য ধরলে √৩ = ৫ ÷ (৫/√৩) মূলদ হতো।
দুটি মূলদের অশূন্য ভাগফল মূলদ, কিন্তু √৩ অমূলদ; বিরোধ পাওয়া যায়।
উত্তর: ৫/√৩; বিকল্প ঘ।
আগে খাতায় হিসাব করো, তারপর উত্তর বেছে নাও। ২ পর্বে ৭টি প্রশ্ন দিয়ে ধারণাগুলো যাচাই করবে।
উত্তর বেছে নিলে সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে। সব উত্তর সঠিক করে “মোট ফল দেখি ও সংরক্ষণ করি” চাপলে সেই পর্ব সম্পন্ন হিসেবে গণনা হবে।
গোল বোতামে উত্তর বেছে নাও। সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে—সঠিক হলে সবুজ টিক, ভুল হলে ব্যাখ্যা পাবে।
সাইন ইন করা থাকলে মোট ফল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত হবে।
গোল বোতামে উত্তর বেছে নাও। সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে—সঠিক হলে সবুজ টিক, ভুল হলে ব্যাখ্যা পাবে।
সাইন ইন করা থাকলে মোট ফল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত হবে।
আগে উত্তর বলো বা লেখো, তারপর নিয়মটি খুলে মিলিয়ে নাও।
স্বাভাবিক, পূর্ণ, মূলদ ও অমূলদ সংখ্যাকে তাদের বৈশিষ্ট্য দিয়ে চেনো। মূলদ p/q, যেখানে p,q পূর্ণসংখ্যা, q≠০।
লঘিষ্ঠ p/q-এর হরের মৌলিক উৎপাদক শুধু ২ ও ৫ হলে দশমিক সসীম হয়।
একই অঙ্কগুচ্ছ অনন্তকাল পুনরাবৃত্ত হলে সেটি আবৃত্ত দশমিক; অঙ্কগুচ্ছের দৈর্ঘ্য অনুযায়ী ১০-এর ঘাত দিয়ে গুণ করে বিয়োগ করো।
অপুনরাবৃত্ত অংশ সরিয়ে তারপর আবৃত্ত অংশ সারিবদ্ধ করো।
আগে সঠিক ভগ্নাংশে রূপান্তর করে যোগ, বিয়োগ, গুণ বা ভাগ করো। পরে চাইলে দশমিক করো।
√২-কে লঘিষ্ঠ p/q ধরে শুরু করলে অসংগতি পাওয়া যায়; তাই √২ মূলদ নয়।
প্রয়োজনীয় ঘরের পরের অঙ্ক দেখে আসন্ন মান লেখো। সঠিক মানের বদলে ≈ চিহ্ন ব্যবহার করো।
আজ: ভুল হওয়া প্রশ্নের নিয়ম ও উদাহরণ পড়ো। আগামীকাল: একই ধরনের অঙ্ক খাতায় না দেখে করো। তিন দিন পরে: এই অধ্যায়ের মূল অনুশীলনী থেকে আলাদা ধরনের তিনটি সমস্যা সমাধান করে নিজের ধাপ ব্যাখ্যা করো।