প্রতিটি পদের বর্গের সঙ্গে প্রতিটি ভিন্ন জোড়ার গুণফল দুইবার যোগ হয়।
(৪a২)+(৯b২)+(১২ab)।
ঋণাত্মক পদের বর্গ ধনাত্মক; জোড়ার গুণফলে চিহ্নের নিয়ম মানি।
১২ab+৪a২+৯b২।
সদৃশ পদ একত্র করি।
উত্তর: ১২ab+৪a২+৯b২
আগে খাতায় হিসাব করো, তারপর উত্তর বেছে নাও। ২ পর্বে ৮টি প্রশ্ন দিয়ে ধারণাগুলো যাচাই করবে।
অগ্রগতি দেখা হচ্ছে…
উত্তর বেছে নিলে সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে। সব উত্তর সঠিক করে “মোট ফল দেখি ও সংরক্ষণ করি” চাপলে সেই পর্ব সম্পন্ন হিসেবে গণনা হবে।
নিজে চেষ্টা করো — 4টি প্রশ্ন
গোল বোতামে উত্তর বেছে নাও। সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে—সঠিক হলে সবুজ টিক, ভুল হলে ব্যাখ্যা পাবে।
সাইন ইন করা থাকলে মোট ফল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত হবে।
নিজে চেষ্টা করো — 4টি প্রশ্ন
গোল বোতামে উত্তর বেছে নাও। সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে—সঠিক হলে সবুজ টিক, ভুল হলে ব্যাখ্যা পাবে।
সাইন ইন করা থাকলে মোট ফল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত হবে।
বই বন্ধ করে মনে করি
আগে উত্তর বলো বা লেখো, তারপর নিয়মটি খুলে মিলিয়ে নাও।
১. a ও b আলাদা না বের করেও এই মান জানা যায় কেন?
a²+b²=(a+b)²−২ab; একইভাবে (a−b)²=(a+b)²−৪ab।
২. a=১,b=৩ বসিয়ে উত্তর যাচাই করো।
a³+b³=(a+b)³−৩ab(a+b)।
৩. শর্তটি বাদ দিলে একই সরল ফল দাবি করা যায় কি?
a³+b³+c³−৩abc=(a+b+c)(a²+b²+c²−ab−bc−ca)।
৪. মাঝের সহগ কীভাবে সিদ্ধান্ত দেয়?
দ্বিঘাত রাশিতে যোগ ও গুণফলের সম্পর্ক দেখে মধ্যপদ ভাঙো; পূর্ণবর্গ হলে বিশেষ সূত্র দ্রুত কাজ করে।
৫. x−a রৈখিক বলে ভাগশেষ ধ্রুবক কেন?
f(x)-কে x−a দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ f(a)।
৬. উৎপাদক পাওয়ার পরে অবশিষ্ট রাশি কীভাবে বের করবে?
f(a)=০ হলে x−a হলো f(x)-এর উৎপাদক, এবং উল্টোটিও সত্য।
৭. কোন পদ কাটা বৈধ আর কোনটি নয়—উৎপাদক দিয়ে বুঝাও।
লব-হর উৎপাদকে ভেঙে সাধারণ অশূন্য উৎপাদক কাটো এবং মূল নিষিদ্ধ মান রাখো।
৮. চিত্রে পুরোনো বর্গের পাশে যোগ হওয়া অঞ্চলগুলো দেখাও।
অজানা মাপকে চলক ধরে সম্পর্ক ও একক লিখে সূত্র তৈরি করো।
রিভিশনের ছোট পরিকল্পনা
আজ: ভুল হওয়া প্রশ্নের নিয়ম ও উদাহরণ পড়ো। আগামীকাল: একই ধরনের অঙ্ক খাতায় না দেখে করো। তিন দিন পরে: এই অধ্যায়ের মূল অনুশীলনী থেকে আলাদা ধরনের তিনটি সমস্যা সমাধান করে নিজের ধাপ ব্যাখ্যা করো।