শূন্যের নিচের তাপমাত্রা, ঋণ বা বিপরীত দিকের অবস্থান বোঝাতে ঋণাত্মক সংখ্যা ব্যবহার হয়।
উদাহরণ
তাপমাত্রা শূন্যের ৪ ডিগ্রি নিচে। কীভাবে লিখবে?
শূন্য ডিগ্রিকে ভিত্তি ধরি।
নিচের দিকে যাওয়াকে ঋণাত্মক ধরি।
তাপমাত্রা −৪° সেলসিয়াস।
কেন?
একই মান দুই বিপরীত অবস্থা বোঝাতে পারে; চিহ্ন দিয়ে দিক বা অবস্থা আলাদা হয়।
ওজন বৃদ্ধি—বিপরীত অর্থ লেখো।
সমাধান দেখিসমাধান
ওজন হ্রাস।
পরিমাণ বাড়ার বিপরীত কমা।
উত্তর: ওজন হ্রাস।
আগে খাতায় হিসাব করো, তারপর উত্তর বেছে নাও। ২ পর্বে ৯টি প্রশ্ন দিয়ে ধারণাগুলো যাচাই করবে।
অগ্রগতি দেখা হচ্ছে…
উত্তর বেছে নিলে সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে। সব উত্তর সঠিক করে “মোট ফল দেখি ও সংরক্ষণ করি” চাপলে সেই পর্ব সম্পন্ন হিসেবে গণনা হবে।
নিজে চেষ্টা করো — 4টি প্রশ্ন
গোল বোতামে উত্তর বেছে নাও। সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে—সঠিক হলে সবুজ টিক, ভুল হলে ব্যাখ্যা পাবে।
সাইন ইন করা থাকলে মোট ফল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত হবে।
নিজে চেষ্টা করো — 5টি প্রশ্ন
গোল বোতামে উত্তর বেছে নাও। সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে—সঠিক হলে সবুজ টিক, ভুল হলে ব্যাখ্যা পাবে।
সাইন ইন করা থাকলে মোট ফল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত হবে।
বই বন্ধ করে মনে করি
আগে উত্তর বলো বা লেখো, তারপর নিয়মটি খুলে মিলিয়ে নাও।
১. শূন্যের নিচের অবস্থান কী দিয়ে বোঝাই?
শূন্যের নিচের তাপমাত্রা, ঋণ বা নির্দিষ্ট অবস্থান থেকে নিচে নামা প্রকাশ করতে ঋণাত্মক সংখ্যা লাগে। ঋণাত্মক চিহ্ন − সংখ্যার অবস্থান বা দিক বোঝায়। কোন দিককে ধনাত্মক ধরা হচ্ছে আগে ঠিক করতে হয়। জমা ধনাত্মক ধরলে বকেয়া বা ঋণ ঋণাত্মক হতে পারে।
২. শূন্য কি পূর্ণসংখ্যা? এর চিহ্নের দল কোনটি?
পূর্ণসংখ্যার মধ্যে আছে …, −৩, −২, −১, ০, ১, ২, ৩, …। ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যার আগে + না লিখলেও চলে। শূন্য ধনাত্মকও নয়, ঋণাত্মকও নয়। ১/২ বা ২.৫ পূর্ণসংখ্যা নয়, কারণ এগুলোতে পূর্ণ এককের ভগ্নাংশ আছে।
৩. পূর্ণসংখ্যার পরের সংখ্যা কোন দিকে পাওয়া যায়?
সংখ্যারেখায় সমান ব্যবধানে পূর্ণসংখ্যা বসে। শূন্যের ডানে ধনাত্মক এবং বামে ঋণাত্মক সংখ্যা থাকে। এক ঘর ডানে গেলে ১ বাড়ে; এক ঘর বামে গেলে ১ কমে। তাই −৩-এর পরের পূর্ণসংখ্যা −২, আগেরটি −৪।
৪. −২ কেন −৭-এর চেয়ে বড়?
সংখ্যারেখায় ডানের সংখ্যা বামের সংখ্যার চেয়ে বড়। সব ধনাত্মক সংখ্যা শূন্যের চেয়ে বড় এবং সব ঋণাত্মক সংখ্যা শূন্যের চেয়ে ছোট। দুটি ঋণাত্মক সংখ্যার মধ্যে শূন্যের কাছেরটি বড়। তাই −২ > −৭, যদিও ২ < ৭।
৫. দুটি ঋণাত্মক যোগে সংখ্যারেখায় কোন দিকে যাই?
দুটি ধনাত্মক সংখ্যা যোগে ডানে এগোই। দুটি ঋণাত্মক সংখ্যা যোগে বামে আরও এগোই। একই চিহ্ন হলে তাদের শূন্য থেকে দূরত্বগুলো যোগ করে সেই চিহ্ন রাখি। যেমন −৩ + (−২) = −৫।
৬. একটি সংখ্যা ও তার যোগাত্মক বিপরীতের যোগ কত?
সমান মানের ধনাত্মক ও ঋণাত্মক সংখ্যা যোগে শূন্য হয়। ৫ ও −৫ পরস্পর যোগাত্মক বিপরীত। ভিন্ন চিহ্নের যোগে বিপরীত জোড়াগুলো বাদ দিলে যে দিকের অংশ বাকি থাকে, ফল সেই চিহ্নের হয়।
৭. ঋণাত্মক সংখ্যা বিয়োগে কেন যোগ করতে হয়?
কোনো সংখ্যা বিয়োগ করার অর্থ তার যোগাত্মক বিপরীত যোগ করা। a − b = a + (−b)। তাই ঋণাত্মক সংখ্যা বিয়োগে ডানে এগোই। প্রথম সংখ্যাটির চিহ্ন অপরিবর্তিত থাকে; শুধু বিয়োগ করা সংখ্যার বিপরীত নিই।
৮. অনেকগুলো যোগ-বিয়োগ সহজ করার একটি উপায় কী?
একাধিক যোগ-বিয়োগ থাকলে আগে বন্ধনীর চিহ্নসহ প্রতিটি পদ বুঝি। শুধু যোগ-বিয়োগের সারি বাম থেকে ডানে করা যায়। চাইলে সব বিয়োগকে বিপরীত সংখ্যার যোগে বদলে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক অংশ আলাদা করে যোগ করি।
৯. বাস্তব সমস্যায় ধনাত্মক দিক আগে ঠিক করি কেন?
বাস্তব সমস্যায় শূন্য, ধনাত্মক দিক ও ঋণাত্মক দিক ঠিক করে তারপর হিসাব করি। তাপমাত্রা বাড়লে যোগ এবং কমলে বিয়োগ হয়। উত্তরের সংখ্যা ও একক দুটিই লিখি। ঋণের হিসাব হলে ঋণাত্মক ফলের অর্থ এখনও কত বকেয়া আছে তা ব্যাখ্যা করি।
রিভিশনের ছোট পরিকল্পনা
আজ: ভুল হওয়া প্রশ্নের নিয়ম ও উদাহরণ পড়ো। আগামীকাল: একই ধরনের অঙ্ক খাতায় না দেখে করো। তিন দিন পরে: এই অধ্যায়ের মূল অনুশীলনী থেকে আলাদা ধরনের তিনটি সমস্যা সমাধান করে নিজের ধাপ ব্যাখ্যা করো।