স্কেলে দৈর্ঘ্য, চাঁদায় কোণ মাপা হয়; কম্পাসে বৃত্তচাপ ও সমান দূরত্ব নেওয়া যায়।
উদাহরণ
স্কেলে A বিন্দু ২ সেমি দাগে এবং B ৭.৫ সেমি দাগে। AB কত?
দুই প্রান্তের পাঠ নিই: ৭.৫ ও ২।
দৈর্ঘ্য = ৭.৫ − ২।
AB = ৫.৫ সেমি।
কেন?
স্কেলের শুরু ০-তে না থাকলে শেষ পাঠ থেকে শুরুর পাঠ বাদ দিলেই দুই বিন্দুর দূরত্ব পাওয়া যায়।
অনুশীলনী ৭
২৮°-এর সম্পূরক কত?
(ক)৬২°
(খ)১১৮°
(গ)১৫২°
(ঘ)৩৩২°
সমাধান দেখিসমাধান
১৮০°−২৮° = ১৫২°।
সম্পূরক কোণের যোগ ১৮০°।
উত্তর: ১৫২°
আগে খাতায় হিসাব করো, তারপর উত্তর বেছে নাও। ২ পর্বে ১০টি প্রশ্ন দিয়ে ধারণাগুলো যাচাই করবে।
অগ্রগতি দেখা হচ্ছে…
উত্তর বেছে নিলে সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে। সব উত্তর সঠিক করে “মোট ফল দেখি ও সংরক্ষণ করি” চাপলে সেই পর্ব সম্পন্ন হিসেবে গণনা হবে।
নিজে চেষ্টা করো — 5টি প্রশ্ন
গোল বোতামে উত্তর বেছে নাও। সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে—সঠিক হলে সবুজ টিক, ভুল হলে ব্যাখ্যা পাবে।
সাইন ইন করা থাকলে মোট ফল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত হবে।
নিজে চেষ্টা করো — 5টি প্রশ্ন
গোল বোতামে উত্তর বেছে নাও। সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে—সঠিক হলে সবুজ টিক, ভুল হলে ব্যাখ্যা পাবে।
সাইন ইন করা থাকলে মোট ফল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত হবে।
বই বন্ধ করে মনে করি
আগে উত্তর বলো বা লেখো, তারপর নিয়মটি খুলে মিলিয়ে নাও।
১. স্কেলের দুই দাগের পাঠ থেকে দূরত্ব কীভাবে পাই?
স্কেল দৈর্ঘ্য মাপে ও সরল রেখাংশ আঁকে। পেন্সিল কম্পাস বৃত্তচাপ আঁকে, কাঁটা কম্পাস দৈর্ঘ্য স্থানান্তর করে, ত্রিকোণী লম্ব আঁকতে সাহায্য করে। চাঁদা কোণ মাপে। যন্ত্রের কেন্দ্র, শূন্য দাগ ও ভিত্তিরেখা সঠিকভাবে না মেলালে পরিষ্কার চিত্র আঁকলেও মাপ ভুল হতে পারে।
২. সমান রেখাংশ আঁকতে কম্পাসের কোনটি স্থির রাখতে হয়?
নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের রেখাংশে একটি প্রান্ত চিহ্নিত করে স্কেলের শূন্য সেখানে রাখি। প্রয়োজনীয় দাগে অন্য প্রান্ত বসিয়ে যোগ করি। একটি রেখাংশের সমান আরেকটি আঁকতে কম্পাসে মূল দৈর্ঘ্য তুলে নতুন রশ্মিতে বসাই। সরানোর সময় কম্পাসের ফাঁক অপরিবর্তিত রাখি।
৩. সমদ্বিখণ্ডকের চাপের ব্যাসার্ধ অর্ধেকের বেশি নিই কেন?
রেখাংশকে সমান দুই ভাগ করা হলো সমদ্বিখণ্ডন। দুই প্রান্ত থেকে একই ব্যাসার্ধে ওপর-নিচে চাপ কাটলে ছেদবিন্দু দুটির যোগরেখা লম্ব সমদ্বিখণ্ডক হয়। ব্যাসার্ধ রেখাংশের অর্ধেকের চেয়ে বড় নিতে হয়, যাতে ওপর ও নিচে দুটি ছেদবিন্দু পাওয়া যায়।
৪. লম্ব আঁকায় প্রথমে দুই পাশে সমদূরবর্তী বিন্দু নিই কেন?
নির্দিষ্ট বিন্দু P থেকে রেখার দুই দিকে সমান দূরত্বে A ও B নিই। A ও B কেন্দ্র করে একই ব্যাসার্ধের চাপের ছেদবিন্দু Q পেলে PQ লম্ব হয়। ত্রিকোণী ব্যবহারেও ৯০° কোণের একটি বাহু রেখায় রেখে অন্য বাহু P দিয়ে আঁকা যায়। আঁকার পরে চাঁদা দিয়ে মাপ মিলাই।
৫. বাইরের বিন্দু থেকে লম্ব আঁকতে রেখায় কয়টি ছেদবিন্দু প্রথমে নিই?
বাইরের বিন্দু P কেন্দ্র করে যথেষ্ট বড় চাপ এঁকে রেখাকে দুই বিন্দু X ও Y-তে কাটাই। P, X ও Y থেকে সমদূরবর্তী অবস্থানে থাকে। X ও Y কেন্দ্রের একই ব্যাসার্ধের চাপ দিয়ে রেখার অন্য পাশে Q পাই। PQ যোগ করলে মূল রেখার ওপর লম্ব পাওয়া যায়।
৬. চাঁদার কোন শূন্য থেকে পাঠ নিতে হবে?
চাঁদার কেন্দ্র কোণের শীর্ষে এবং ভিত্তিরেখা প্রথম বাহুতে মেলাই। যে দিক থেকে বাহু শুরু হয়েছে, সেই দিকের শূন্য থেকে পাঠ নিই। প্রয়োজনীয় ডিগ্রির দাগ দিয়ে শীর্ষ থেকে দ্বিতীয় রশ্মি আঁকি। শেষে কোণ সূক্ষ্ম না স্থূল তা দেখে পাঠটি মিলিয়ে নিই।
৭. কোণ স্থানান্তরে কোন দুটি মাপ একই রাখতে হয়?
চাঁদায় মাপ না নিয়েও কম্পাসে একটি কোণ অন্য জায়গায় তুলে নেওয়া যায়। মূল কোণের শীর্ষ থেকে চাপ এবং সেই চাপে দুই বাহুর কাটার দূরত্ব ব্যবহার করি। নতুন কোণে একই ব্যাসার্ধ ও একই দুই কাটার দূরত্ব বসালে মূল কোণের সমান খোলা তৈরি হয়।
৮. কোণের সমদ্বিখণ্ডক কোন রাশিকে সমান ভাগ করে?
কোণের শীর্ষ থেকে এমন রশ্মি আঁকা যায় যা কোণকে সমান দুই ভাগ করে। এটিই কোণের সমদ্বিখণ্ডক। শীর্ষের একই চাপ দিয়ে দুই বাহুতে X ও Y নিই; X ও Y কেন্দ্রের সমান ব্যাসার্ধের চাপের ভেতরের ছেদবিন্দু শীর্ষের সঙ্গে যোগ করি।
৯. একই ব্যাসার্ধ ব্যবহার করলে ৬০° পাওয়া যায় কেন?
রশ্মির শুরু O কেন্দ্র করে চাপ কেটে A নিই। একই ব্যাসার্ধে A কেন্দ্রের চাপ প্রথম চাপকে B-তে কাটলে OA, OB ও AB সমান হয়। সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি কোণ ৬০°, তাই ∠AOB = ৬০°। একই চাপে আরেকবার একই দূরত্ব এগোলে ১২০° পাওয়া যায়।
১০. ৪৫° পেতে কোন কোণকে ভাগ করব?
৬০° কোণ সমদ্বিখণ্ডিত করে ৩০° পাই। ৯০° লম্ব কোণ সমদ্বিখণ্ডিত করে ৪৫° পাই। এভাবে জানা নির্মাণ থেকে নতুন কোণ তৈরি হয়। নির্মাণে ব্যবহৃত চাপ হালকা রেখায় রেখে শীর্ষ ও বিন্দুর নাম লিখি। চাঁদা দিয়ে শেষে যাচাই করা যায়; কিন্তু চাঁদা ছাড়া আঁকার প্রশ্নে শুরুতে চাঁদা দিয়ে দাগ দেব না।
রিভিশনের ছোট পরিকল্পনা
আজ: ভুল হওয়া প্রশ্নের নিয়ম ও উদাহরণ পড়ো। আগামীকাল: একই ধরনের অঙ্ক খাতায় না দেখে করো। তিন দিন পরে: এই অধ্যায়ের মূল অনুশীলনী থেকে আলাদা ধরনের তিনটি সমস্যা সমাধান করে নিজের ধাপ ব্যাখ্যা করো।