অনুক্রম ও ধারা
নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানো পদগুলো অনুক্রম; সেই পদগুলোর যোগফল প্রকাশ করলে ধারা হয়।
উদাহরণ
২, ৪, ৬, ৮
- চতুর্থ পদ = ৮।
- প্রথম চার পদের যোগ = ২ + ৪ + ৬ + ৮ = ২০।
কেন?
একটি পদের মান ও অনেক পদের মোট আলাদা পরিমাণ।
নবম শ্রেণি · অধ্যায় ১৩
পৃষ্ঠা ২৪৯–২৬৫
বইয়ের পৃষ্ঠা 249

নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানো পদগুলো অনুক্রম; সেই পদগুলোর যোগফল প্রকাশ করলে ধারা হয়।
২, ৪, ৬, ৮
একটি পদের মান ও অনেক পদের মোট আলাদা পরিমাণ।
a = ১৩,d = ৭; শেষ পদ ১১১ = ১৩+(n−১)৭।
সমান্তর ধারার n তম পদ।
n−১ = ৯৮/৭ = ১৪ ⇒ n = ১৫।
দুটি প্রান্তসহ গুনতে ১ যোগ।
উত্তর: ১৫ টি।
আগে খাতায় হিসাব করো, তারপর উত্তর বেছে নাও। ২ পর্বে ৮টি প্রশ্ন দিয়ে ধারণাগুলো যাচাই করবে।
উত্তর বেছে নিলে সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে। সব উত্তর সঠিক করে “মোট ফল দেখি ও সংরক্ষণ করি” চাপলে সেই পর্ব সম্পন্ন হিসেবে গণনা হবে।
গোল বোতামে উত্তর বেছে নাও। সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে—সঠিক হলে সবুজ টিক, ভুল হলে ব্যাখ্যা পাবে।
সাইন ইন করা থাকলে মোট ফল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত হবে।
গোল বোতামে উত্তর বেছে নাও। সঙ্গে সঙ্গে যাচাই হবে—সঠিক হলে সবুজ টিক, ভুল হলে ব্যাখ্যা পাবে।
সাইন ইন করা থাকলে মোট ফল অ্যাকাউন্টে সংরক্ষিত হবে।
আগে উত্তর বলো বা লেখো, তারপর নিয়মটি খুলে মিলিয়ে নাও।
নিয়মমতো সাজানো পদসমূহ অনুক্রম; পদগুলোর যোগ দিয়ে ধারা। n-তম পদ ও প্রথম n পদের যোগ আলাদা।
প্রথম পদ a,সাধারণ অন্তর d হলে aₙ=a+(n−১)d।
Sₙ=n[২a+(n−১)d]/২=n(a+l)/২, l শেষ পদ।
শেষ পদ জানা থাকলে a+(n−১)d=l থেকে n বের করো। n ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা হওয়া চাই।
১²+…+n²=n(n+১)(২n+১)/৬; ১³+…+n³=[n(n+১)/২]²।
প্রথম পদ a,সাধারণ অনুপাত r হলে aₙ=arⁿ⁻¹।
r≠১ হলে Sₙ=a(rⁿ−১)/(r−১); r=১ হলে Sₙ=na।
প্রতি ধাপে নির্দিষ্ট পরিমাণ বাড়লে সমান্তর; নির্দিষ্ট গুণকে বাড়লে গুণোত্তর। মোট চাইলে যোগের সূত্র নাও।
আজ: ভুল হওয়া প্রশ্নের নিয়ম ও উদাহরণ পড়ো। আগামীকাল: একই ধরনের অঙ্ক খাতায় না দেখে করো। তিন দিন পরে: এই অধ্যায়ের মূল অনুশীলনী থেকে আলাদা ধরনের তিনটি সমস্যা সমাধান করে নিজের ধাপ ব্যাখ্যা করো।